English
Cross-examination of the investigation officer for Khurshid Alam is over
ঢাকা
০৭ নভেম্বর ২০২৫

খুরশীদ আলমের পক্ষে তদন্ত কর্মকর্তার জেরা শেষ

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মামলায় আসামি রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের পক্ষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আফনান জান্নাত কেয়াকে জেরা সম্পন্ন হয়েছে।

একই অভিযোগে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে করা মামলায় আসামি খুরশীদ আলমের পক্ষে তদন্ত কর্মকর্তা এস এম রাশেদুল ইসলামের আংশিক জেরা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত–৫-এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুনের আদালতে এসব জেরা অনুষ্ঠিত হয়।

এ ছাড়া খুরশীদ আলমের আবেদনের পর শেখ হাসিনার মামলার বাদী সালাউদ্দিনকে জেরা করার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। আগামী ১০ নভেম্বর একই আদালতে জয়ের মামলার তদন্ত কর্মকর্তার জেরা ও শেখ হাসিনার মামলার বাদীর জেরা অনুষ্ঠিত হবে।

দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম জানান, শেখ হাসিনার মামলায় খুরশীদ আলমের পক্ষে তদন্ত কর্মকর্তার জেরা শেষ হয়েছে। পাশাপাশি বাদীকে জেরা করার অনুমতি চেয়ে আসামিপক্ষের করা আবেদনও আদালত মঞ্জুর করেছেন। সজীব ওয়াজেদ জয়ের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার আংশিক জেরা হয়েছে। তবে শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে করা মামলায় কোনো সাক্ষ্য বা জেরা হয়নি।

এর আগে গত ২৯ অক্টোবর প্লট দুর্নীতি মামলায় প্রথম আসামি হিসেবে রাজউকের সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর তাঁর পক্ষে জেরা করার সুযোগ পান আইনজীবীরা।

গত ৩১ জুলাই শেখ হাসিনা ও তাঁর বোন শেখ রেহানার পরিবারের বিরুদ্ধে পৃথক ছয়টি মামলায় ঢাকার দুই বিশেষ জজ আদালত পরিবারের সদস্যসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। শেখ হাসিনা ও তাঁর ছেলে-মেয়ে ছাড়াও অভিযুক্তদের মধ্যে আছেন শেখ রেহানা, তাঁর মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক ও ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক (ববি)।

মামলায় শেখ হাসিনা পরিবারের বাইরের ১৬ জন অভিযুক্তের মধ্যে আছেন তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, গণপূর্ত সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিয়া, সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ আরও অনেকে।

চার্জশিটে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নম্বর রোডের ছয়টি প্লট বরাদ্দ নেন, যা তাঁদের পাওয়ার যোগ্যতা ছিল না।

অপরাধ এর পাঠক প্রিয়